1. abrabnadimetu@gmail.com : Abrab Nadim Etu : Abrab Nadim Etu
  2. sopeelabd@gmail.com : bdnewsworld :
  3. Nazmul241991@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  4. somoykaltv@gmail.com : বিডিনিউজ ওয়ার্ল্ড : বিডিনিউজ ওয়ার্ল্ড
  5. proshantoKumaDas91@gmail.com : Proshanto Kumar Das : Proshanto Kumar Das
"বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কটুক্তিঃপ্রসঙ্গতা ও বাস্তবতা" - BD News World
বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
না.গঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপ‌তি র‌বিউল হো‌সে‌নের জন্ম‌দিন দোয়া ও কেক কাটার মাধ‌্যমে পালন নারায়ণগঞ্জে পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ করবেন না’গরিবের পেটে লাথি আল্লাহও পছন্দ করে না : রহিম মুন্সি নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকার প্রাণ বল্লভ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে এক লাখ টাকা জরিমানা রাজনীতিতে ভাল লোকগুলোর এক হওয়া দরকার : চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আল্লাহ আপনাকে সম্মান দিয়েছে, আপনি সেই মর্যাদা রাখেন : লিপি ওসমান আমাদের সাংবাদিকদের কলম হামলা মামলা দিয়ে বন্ধ করা যাবে না : শাহ আলম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরীক্ষা চালুর দাবীতে মাদারীপুরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন ফরিদপুরের সালথায় জাতীয় ভোটার দিবস-২০২১ পা‌লিত ফরিদপুরের সালথায় বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা‌দের নি‌য়ে উত্তাল মার্চ‌কে বরণ ও স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান দেশের সংবাদ কর্মীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে না.গঞ্জে প্রতিবাদ সভা

“বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কটুক্তিঃপ্রসঙ্গতা ও বাস্তবতা”

সাংবাদিক এর নাম
  • সংবাদটি প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০
  • ১৮০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক ছাড় দিয়েছে চীন। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম বাংলাদেশের এই সুবিধাকে পাওয়াকে ‘খয়রাতি’ হিসেবে উল্লেখ করে খবর প্রকাশ করেছে। এ সংবাদ প্রকাশের পর বেশ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে বাংলাদেশের নাগরিকরা। অনেকের অভিমত বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের গণমাধ্যম থেকে এমন ব্যবহার আশা করেনি বাংলাদেশের জনগণ।

ভারতের সংবাদ মাধ্যম জি নিউজ শিরোনাম করেছে “ভারতকে চাপে ফেলতে বাংলাদেশকে ‘খয়রাতি’ চীনের!” এছাড়া পশ্চিম বঙ্গের আরেক জনপ্রিয় পত্রিকা আনন্দবাজার শিরোনামে এমন শব্দচয়ন না করলেও খবরের ভেতরে লিখেছে, ‘বাণিজ্যিক লগ্নি আর খয়রাতির টাকা ছড়িয়ে বাংলাদেশকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা নতুন নয় চীনের’।

তবে তুলনা করে দেখা গেছে, বাংলাদেশ শুল্ক সুবিধা পেয়েছে। কিন্তু ভারত নিজেই ঋণ বা খয়রাতিতে জর্জরিত।

ভারতের বিদেশ থেকে নেয়া মোট খয়রাতির বা বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৩১ মার্চ, ২০২০ পর্যন্ত ৫৬৩.৯ বিলিয়ন ডলার। এই পরিমাণ খয়রাতি দেশটির মোট জিডিপির প্রায় ২০% এর বেশি।

এই ঋণগুলো ভারত নিয়েছে বিভিন্ন মাল্টিল্যাটারাল, বাইল্যাটারাল উৎস থেকে- যার মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, আইডিএ, আইবিআরডি, আইএফআইডি এবং অন্যান্য জায়গা থেকে।

মাল্টিল্যাটারাল উৎস থেকে ভারতের নেয়া খয়রাতি বা ঋণের পরিমাণ প্রায় ৬০.২২ বিলিয়ন ডলার। এর বাইরে বাইল্যাটারাল উৎসের ভেতর ভারত ঋণ করেছে জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র এমনকি চীন থেকেও। এসব উৎস থেকে পাওয়া ভারতের মোট ঋণ এখন ২৬.৩৩ বিলিয়ন ডলার।

ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের পাবলিক ঋণ ২০২১ অর্থবছরে ৪০.১২% হতে পারে। ফিস্কাল মনিটরের এপ্রিল ২০২০ অনুযায়ী আইএমএফ শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান এবং নেপালের গ্রস ঋণ প্রকাশ করেছে। আইএমএফের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের মোট ঋণ এখন তাদের জিডিপির ৭৩.৮০%। এই হিসাব অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক ঋণ মিলিয়ে।

এত ঋণ বা খয়রাতির বিপরীতে ভারতের রিজার্ভ আছে ১২ জুন, ২০২০ পর্যন্ত ৫০৭.৬৪৪ বিলিয়ন ডলার যেখানে বিদেশ থেকে নেয়া তাদের ঋণের পরিমাণ ৫৬৩.৯ বিলিয়ন। এখানে উল্লেখ্য ভারতের এই রিজার্ভ তাদের স্বর্ণ রিজার্ভসহ। আরো নির্দিষ্ট করে বললে তাদের ৫০৭.৬৪৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের ভেতর Foreign Exchange Assets (FCA) এর পরিমাণ ৪৬৮.৭৩৭ বিলিয়ন, স্বর্ণের রিজার্ভের বাজার মূল্য ৩৩.১৭৩ বিলিয়ন, SDRs (Special Drawing Rights with the IMF) ১.৪৫৪ বিলিয়ন এবং বাকি ৪.২৮০ বিলিয়ন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কাছে।

এদিকে বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণও ভারতের থেকে অনেক কম। শতাংশের হিসাবে অর্ধেক। এখন প্রশ্ন থেকে যায় বাংলাদেশ সুবিধা পেলে ভারতের মিডিয়ায় যদি তা খয়রাতি বলে আখ্যায়িত হয় তবে ভারতের ঋণ কেন খয়রাতি হবে না? ভারত তো আরো বড় খয়রাতি!

সূত্র: ডিফেন্স রিসার্চ ফোরাম

সংবাদটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ পড়ুন ..
© All rights reserved © 2020 BD NEWS WORLD
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com