1. abrabnadimetu@gmail.com : Abrab Nadim Etu : Abrab Nadim Etu
  2. sopeelabd@gmail.com : bdnewsworld :
  3. Nazmul241991@gmail.com : Nazmul Hassan : Nazmul Hassan
  4. somoykaltv@gmail.com : বিডিনিউজ ওয়ার্ল্ড : বিডিনিউজ ওয়ার্ল্ড
  5. proshantoKumaDas91@gmail.com : Proshanto Kumar Das : Proshanto Kumar Das
যে কারণে সমকামিতাকে প্রমোট করা যাবেনা - BD News World
বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
না.গঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপ‌তি র‌বিউল হো‌সে‌নের জন্ম‌দিন দোয়া ও কেক কাটার মাধ‌্যমে পালন নারায়ণগঞ্জে পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ করবেন না’গরিবের পেটে লাথি আল্লাহও পছন্দ করে না : রহিম মুন্সি নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকার প্রাণ বল্লভ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে এক লাখ টাকা জরিমানা রাজনীতিতে ভাল লোকগুলোর এক হওয়া দরকার : চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আল্লাহ আপনাকে সম্মান দিয়েছে, আপনি সেই মর্যাদা রাখেন : লিপি ওসমান আমাদের সাংবাদিকদের কলম হামলা মামলা দিয়ে বন্ধ করা যাবে না : শাহ আলম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরীক্ষা চালুর দাবীতে মাদারীপুরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন ফরিদপুরের সালথায় জাতীয় ভোটার দিবস-২০২১ পা‌লিত ফরিদপুরের সালথায় বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা‌দের নি‌য়ে উত্তাল মার্চ‌কে বরণ ও স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান দেশের সংবাদ কর্মীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে না.গঞ্জে প্রতিবাদ সভা

যে কারণে সমকামিতাকে প্রমোট করা যাবেনা

সাংবাদিক এর নাম
  • সংবাদটি প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
  • ১৭০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

পশ্চিমাদের বিকৃত রুচি ও অসুস্থ সংস্কৃতির বিষ বাষ্প আস্তে আস্তে বাংলাদেশেও গ্রাস করা শুরু করেছে। সেটার সব থেকে বড় উদাহারণ বাংলাদেশের তাথাকথিত কিছু মটিভেশনাল স্পিকার, বুদ্ধিজীবী, প্রগতিশীলদের সমকামিতাকে প্রোমট করা বা এই দেশে সমকামিদের অধিকার নিয়ে সরব হওয়া। সমকামীদের অধিকার নিয়ে বললেই হয়তোবা দেশকে উন্নত ও নিজের গায়ে প্রগতিশীল এর তকমা লাগানো যাবে, সুশীল হিসেবে অগ্রহন্য হওয়া যাবে।

কিন্তু আমরা যদি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি আদি পৃথিবীর সব ধর্মই সমকামিতার বিরুদ্ধে কথা বলে। ইসলাম ধর্মে এটা জঘন্য পাপ। নবী লূত (আঃ) এর সম্প্রদায়কে এই সমকামিতার কারণে আল্লাহ ধ্বংস করে দিয়েছেন। ইহুদি ও খৃষ্টান ধর্মেও এটা জঘন্য অপরাধ। বিজ্ঞানের এই যুগে আমরা কি শুধু ধর্মীয় কারণেই এই সমকামিতার বিরুদ্ধে, নাকি এর বিরুদ্ধে কথা বলার অনেক যৌক্তিক কারণও রয়েছে? কেন সমকামিতাকে প্রমোট করা অযৌক্তিক ও নিন্দনীয়? আসুন, যৌক্তিকভাবে এর কারণ বিশ্লেষণ করিঃ
১। প্রথমত আসি, সমকামিতা ন্যাচারাল কিনা সেই আলোচনায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে উদারতাবাদ পৃথিবীর ডোমিনেন্ট আইডিয়া হিসেবে বিস্তার লাভ করে। গত কয়েক দশকে সোশ্যাল লিবারিজমের অংশ হিসেবে এলজিবিটি মুভমেন্ট সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে। পশ্চিমা লিবারেলরা এসময়ে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে শুধু সমকামিতার একটা আলাদা জিন আছে সেটা প্রমাণের জন্য। বাস্তবে তারা ব্যার্থ হয়েছে। বরং সবচেয়ে ব্যাপক আকারে গবেষণার ফলাফল বলছে সমকামীদের আলাদা কোন জিন নেই। তার মানে, এটা পুরোই মানুষের সোশ্যালাইজেশন, অভ্যাস ও চিন্তার ফল। সুতরাং, সমকামিতা সামাজিকভাবে প্রমোট করলে এর ব্যাপকতা আরো বাড়বে কোন সন্দেহ নেই। যার ফলশ্রুতিতে আমাদের পরিবার, সমাজব্যবস্থায় একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে বাধ্য।


২। লিবারেলদের সূক্ষ্ম একটা কারচুপি হলো এলজিবিটি মুভমেন্টকে একসাথ করে, ট্রান্সজেন্ডার (হিজরা) শ্রেণিকে এর অন্তর্ভুক্ত করা। দেখুন, হিজরাদের অধিকার নিয়ে কথা বলা তো আমাদের সবার দায়িত্ব। ইসলাম ধর্মের মূল কথাও জাস্টিস। হিজরাদের অধিকার নিয়ে কথা বলায় কেউ তো দ্বিমত করেনা। তাহলে হিজরাদের অধিকারকে সমকামীদের অধিকারের মধ্যে গুলিয়ে ফেলে এক শ্রেণির তরূণ তরূণীদের সিম্পেথি অর্জন করছে এই মুভমেন্ট। আবার অনেক লেখকই সমাজে নারীর দূর্বল অবস্থান ও বঞ্চিতাবস্থাকে সমকামীদের অবস্থার সাথে এক করে এর পক্ষে ওকালতি করতে দেখা যায়। যার ফলে অনেক মেয়েই না বুঝে সমকামীদের প্রতি সিম্পেথাইজড হয়।


৩। শুধু সমকামিতাই (হোমোসেক্সুয়ালিটি) কেবল যৌন বিকৃতি নয়। বহু মানুষ আছে শিশুকামী (ফেডোফিলিয়া), পশুকামী (জুফিলিয়া), মৃতকামী (নেক্রোফিলিয়া)। এখন আমরা শিশুকামী ও পশুকামীদের অধিকার নিয়ে কথা বলবো, আর যুক্তি দেখাবো এটা ন্যাচারাল? এলজিবিটির অধিকার নিয়ে যারা অ্যাডভোকেসি করেন তারা এখন এলজিবিটি প্লাস শব্দটি ব্যবহার করেন, যাতে এই ফিলিয়াগুলোও একসময় এর আওতায় নিয়ে আসা যায়। আমরা ছোটবেলায় খেলার মাঠে একজন পশুকামীকে ধরেছিলাম, যে পশুর সাথে যৌনাচার করছিলো। তখন আমাদের সিনিয়ররা তাকে থাপ্পড় চড় দিয়ে বলে দিয়েছে এরকম করলে তাকে গ্রাম ছাড়া করবে। বর্তমানে সে স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভালো আছে। সেদিন যদি আমরা তাকে বলতাম, ঠিক আছে এটা তোমার সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন, এখন তুমি এভাবে পশুর সাথে যৌনাচার করো, এটা ন্যাচারাল, তাহলে আজ তার জীবন কোথায় গিয়ে ঠেকতো। মূলত, এগুলো সবই পারভার্শন। যৌন বিকৃতি। এগুলোকে প্রমোট করলে এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকবে। তাদের জীবনও অস্বাভাবিক হয়ে যাবে।

৪। আমি ব্যাক্তিগতভাবে অনেক ছেলেকে দেখেছি যারা অন্য ছেলের সাথে যৌনকাজ করার চেষ্টা করেছে কিন্তু সেই সময়, সুযোগ বা সাড়া পায়নি। এখন তারা সুখী পারিবারিকভাবে জীবন যাপন করছে। এই মানুষগুলো যদি তখন এমন কোন যৌনাচারে অভ্যস্ত হয়ে যেত তাহলে আজ হয়তো সমকামিতা করে বেড়াতো আর কিছু কিছু লিবারেলের সিম্প্যাথি নিয়ে পৃথিবীতে বাঁচতে হতো।
৫। এবার আসুন, সমকামীদের অধিকার নিয়ে কথা বলা যাক। অনেক ছেলেমেয়েকেই দেখেছি যারা বলে, আমি সমকামিতা সাপোর্ট করিনা, কিন্তু তাদের অধিকারকে সাপোর্ট করি। এই কথার মধ্যে একটা বড় ভুল আছে। অধিকারের প্রশ্ন তখন আসে যখন আপনি আলাদা একটা আইডেন্টিটিতে বিলং করেন। যেমন, হিজরা, নারী, হিন্দু, মুসলিম, গারো এগুলো একেকটি আইডেন্টিটি। এই আইডেন্টিটির উপর ভিত্তি করে কারো অধিকার লঙ্ঘন হলে সেটা নিয়ে কথা বলা উচিত। কিন্তু কোন একজন বেডে কার সাথে সময় কাটায় সেই পরিচয় কেউ একজন কেন তার কর্মক্ষেত্রে আনবে? কেন এটাকে তার আইডেন্টিটি হিসেবে বিবেচিনায় নিয়ে তার অধিকারের প্রশ্ন তুলবেন? এটাকে আলাদা আইডেন্টিটি হিসেবে প্রমোট করলেই তো এটার সংখ্যা হরহর করে বৃদ্ধি পেতে থাকবে।


৬। এবার আসি, আপনি তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলে তাদের উপকার করছেন নাকি ক্ষতি করছেন? গুগল স্কলার থেকে কয়েকটি গবেষণা নামিয়ে পড়ুন। সমকামীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা চারগুণ বেশি। এইচআইবি এইডস এর সবচেয়ে বড় বাহক তারা। এছাড়া সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি। এ নিয়ে শত শত গবেষণা আছে পড়েন। তাদেরকে প্রমোট করে, তাদের জীবনকে অস্বাভাবিক করে আপনি তাদের মারাত্মক ক্ষতি করছেন সেটা জানেনওনা।
৭। ভিন্ন সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশনের মধ্যে আরেক শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় যারা ছেলে হয়েও মেয়ের স্বভাব আবার মেয়ে হয়েও ছেলের স্বভাব নিয়ে জন্মায়। আমি নিজে এমন ৩ জনকে চিনি। যারা সবাই এখন স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। হয়তো আপনাদের পরিচিত অনেকেই এমন আছে। এখন যদি আমরা বলি, এটা তোমার সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন। তুমি গে, তুমি লেসবিয়ান। তাহলে তার মন সেদিকেই ধাবিত হবে। বরং তাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে তার আচরণ পরিবর্তন করে আমরা তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে পারি। এতে তারই উপকার হলো, জার্মান এম্বাসির টাকায় অসহায়ের মত জীবন যাপন করা লাগবেনা।


৮। ইউরোপের সমকামীদের উপর সবচেয়ে বড় যে জরিপ সে জরিপ বলছে, সমকামিতার হার ১৪-২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৬%, ৩০-৬৫ বয়সীদের মধ্যে ৭.৫%, আর ৫০-৬৫ দের মধ্যে ১.৮%। সমকামীদের সংখ্যা প্রবলভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ গত দুই তিন দশক ধরে ইউরোপ সমকামীদের প্রমোট করে। এ সংখ্যা অচিরেই ৫০% এর বেশি হবে সন্দেহ নেই। অন্তত আমরা আমাদের দেশে সমকামিতাকে প্রমোট না করি, আমি চাইনা আপনাদের প্ররোচনায় আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম এমন বিকৃত জীবনে প্রবেশ করুক।


৯। উপরের সব আলোচনার পরেও যদি কনভিন্সড না হোন, তাহলে একটা উদাহরণ দেই। ১৬% মানুষ যদি ভিন্ন সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশনের হয়, আর সেটা যদি ন্যাচারাল সিলেকশান হয়, তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি ন্যাচারালি প্রতি ৬ জনে একজন সমকামী। এখন কথা হলো, যেহেতু আমার পরিবারে ৮ জন মেম্বার, তাহলে ন্যাচারালি ১-২ জন সমকামী হওয়ার কথা। কই, সবাইতো স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। আমি আমার বাবার বা দাদাদের জেনারেশনে এমন কাউকে পাইনি যে এমন সমকামী। আপনার গ্রামের কথা চিন্তা করুন। আপনার চাচাদের বয়সীদের মধ্যে কয়জন ছেলেকে পেয়েছেন যারা বিয়ে করেনি কেবল মেয়েদের প্রতি তার কোন আকর্ষণ না থাকার কারণে? আপনার ফুফুদের বয়সী কয়জনকে পেয়েছেন যে যারা স্বামীর সংসার করছেনা কেবল তার সেক্সুয়্যাল অরিয়েন্টেশন ভিন্ন এজন্য? আমি তো দেখছি সবাই একটা স্বাভাবিক যৌন জীবন যাপন করছেন। তাহলে, ধীরে ধীরে ১৬% মানুষকে সমকামী বানানো একটা ভন্ডামি ছাড়া আর কি হতে পারে? তাই, ন্যাচারালি মানুষ সমকামী হয় এটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা।

সবশেষে যা বলতে চাই তা হলো, সমকামিতা একটা ভাইরাসের মত, এটাকে গৌরব হিসেবে উপস্থাপন কিংবা সমকামীদের অধিকারের প্রশ্ন নিয়ে আসা পশ্চিমা বস্তুবাদ ও ব্যাক্তিস্বাধীনতার প্রভাব। পশ্চিমা দর্শন পরিবার প্রথাকে প্রায় তুলে দিয়েছে, কানাডা গাঁজা সেবন বৈধ করেছে, তাদের সোশ্যাল ক্যাপিটাল নেই বললেই চলে। পশ্চিমা দর্শন, মুভি, মিডিয়া ও সাহিত্য যা দেখায় তা-ই সমাজের জন্য ভালো, এটা যদি আপনি বিশ্বাস করেন তাহলে আপনি সাংস্কৃতিক হীনমন্যতা ও আত্মপরিচয়ের সংকটে ভুগছেন। আপনার নতুন করে সমাজ অধ্যয়ন জরুরি।

সংবাদটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ পড়ুন ..
© All rights reserved © 2020 BD NEWS WORLD
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com